15th Aug 2019: আসন্ন অষ্টম মেম্বারশীপ ভেরিফিকেশন ,

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ অষ্টম মেম্বারশীপ ভেরিফিকেশন এ বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন কে পুনরায় বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করুন 

 

20th Mar 2019: বিএসএনএলইইউ এর ১৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করুন,

আগামী ২২ মার্চ ২০১৯  বিএসএনএলইইউ এর ১৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস বিএসএনএল এর প্রতিটি অফিস দফতরে ব্যাপক ঊদ্দীপনার সাথে পালন করুন। 

 

Com Jayanta Kumar Ghosh
( President )

Com. Shankar Keshar Nepal
( Secretary )

Com. Sujit Ganguly
( Treasurer )

 
 
bsnleuctc@yahoo.co.in
 
BSNL Employees Union Calcutta Telephones Circle
 
Site Updated On : 19th May 2026
 
[27th Feb 2026]

সার্কুলার/২৫/২০২৬

 

 

প্রিয় কমরেড শাখা /জেলা সম্পাদক/সার্কেল কর্মকর্তাগণ,

 

আজ বুধবার (২৫/০২/২০২৬)  

বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন কলকাতা টেলিফোনস্ সার্কেলের কার্যকরী কমিটির সভা অনুষ্টিত হয় বিশ্বনাথ দে চৌধুরী সভাঘরে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি কমরেড জয়ন্ত কুমার ঘোষ। শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধা জানিয়ে সভা শুরু করা হয়।এবং সেই সঙ্গে গতকাল ২৪ ফেব্রুয়ারি কো-অর্ডিনেশন কমিটি আয়োজিত ঠিকা কর্মীদের ছাঁটাই বিরোধী আন্দোলনকে সফল করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানিয়ে সভাপতি সভা শুরু করেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন আমাদের প্রিয় পৃষ্ঠপোষক ও সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি কমরেড শিশির রায় ও কমরেড সুকান্তী মুখার্জি। 

সার্কেল সম্পাদক কমরেড শংকর কেশর নেপাল প্রাথমিক বক্তব্য রাখেন আজকের এজেন্ডার ওপরে। তারপর অন্যান্য উপস্থিত সকল কমরেড উক্ত এজেন্ডার উপর আলোচনা করেন।কমরেড শিশির রায় বিস্তারিত আলোচনা করেন উক্ত বিষয়ের উপর।

সংশ্লিষ্ট সকলের আলোচনার পর কলকাতা টেলিফোনস্ সার্কেল কমিটির সভা থেকে নিম্নলিখিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

১) ১২ ফেব্রুয়ারির ধর্মঘট এ যেসকল সার্কেল কর্মকর্তা ধর্মঘট পালন করতে পারেননি, তাদের নিকট জানতে চাওয়া হবে কেন তাঁরা ধর্মঘট পালন করতে পারলেন না।

২) শাখা ও জেলা কমিটির বৈঠকে ১২ ফেব্রুয়ারি ধর্মঘট এর পর্যালোচনা করতে হবে।কতজন শাখা ও জেলা কমিটির নির্বাচিত সদস্য ধর্মঘট পালন করতে পারেন নি এবং কেন পারেনি তা পরবর্তী সার্কেল সভায় সংশ্লিষ্ট সম্পাদকদের জানাতে হবে।

৩) ১৩ টি শাখার সম্মেলন শেষ করতে হবে আগামী এপ্রিল,২০২৬ মাসের মধ্যে।

৪) বিএসএনএল কন্ট্রাক্ট ক‍্যাজুয়াল কর্মীদের সর্বভারতীয় কনভেনশনের এর বিল গুলি ৩ মার্চ,২০২৬ এর মধ্যে জমা দিতে বলা হয়েছে।কলকাতা টেলিফোনস্ সার্কেল থেকে ১০ জন ঠিকা কর্মী সহ মোট ১৪ জন দিল্লির ঐ কনভেনশনে যোগ দেবেন।

৫) ২২ মার্চ বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে বর্ষব‍্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে এবং ঐ দিন মর্যাদার সঙ্গে পতাকা উত্তোলন করা এবং শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা সহ অন্যান্য কর্মসূচির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

৬) কর্মরত মহিলা কর্মীদের জাতীয় কনভেনশন মুম্বইতে ২৮ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।সেখানে কলকাতা টেলিফোনস্ সার্কেল থেকে ১১ জন মহিলা ও তাঁর সাথে সার্কেল সভাপতি এবং সার্কেল কোষাধ্যক্ষ সহ মোট ১৩ জন যোগদান করবেন।

৭) আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আগামী ৯ থেকে ১১ মার্চ এর মধ্যে একটি কনভেনশন এবং আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত করা হবে।

৮) প্রতিটি জেলায় জেলা কমিটির উদ্যোগে ট্রেড ইউনিয়ন ক্লাস অনুষ্ঠিত করা হবে।

-শংকর কেশর নেপাল, সার্কেল সম্পাদক, বিএসএনএলইইউ,

কলকাতা টেলিফোনস্ সার্কেল

 
[24th Feb 2026]

সিজিএম অফিসে ধর্না ও বিক্ষোভ কর্মসূচি 

 

প্রিয় সার্কেল সম্পাদকগণ,

 

কলকাতা টেলিফোনস্ এর অন্তর্ভুক্ত ইলেকট্রিক ইউনিটে কর্মরত ছাঁটাই কন্ট্রাক্ট কর্মীদের পূনর্বহাল করার দাবিতে পূর্ব ঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুসারে আজ ২৪ ফেব্রুয়ারি, মংগলবার, বেলা ১২ টা থেকে টেলিফোন ভবন সিজিএম অফিসে ধর্না ও বিক্ষোভ কর্মসূচি সংগঠিত করা হয়। ২ টি কো-অর্ডিনেশন কমিটি কলকাতা টেলিফোনস্ এবং পশ্চিমবঙ্গ সার্কেল যৌথভাবে এই আন্দোলন সংগঠিত করে। আন্দোলন এর চাপের মুখে দাঁড়িয়ে বিএসএনএল ম‍্যানেজমেন্ট আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার, বেলা ৩ টায় ইউনিয়ন এর সংগে উদ্ভূত সমস্যা সমাধানের জন্য একটি বৈঠক ডেকেছে। এই বৈঠক সিজিএম এর চেম্বারে ঐসময় অনুষ্ঠিত হবে। সেই সঙ্গে বিএসএনএল কর্তৃপক্ষ সংগঠনকে ধর্না বিক্ষোভ কর্মসূচি স্থগিত করার জন্য আবেদন জানান। ম‍্যানেজমেন্টের এই আবেদনে সাড়া দিয়ে আগামীকাল ২৫ ফেব্রুয়ারি, বুধবার, আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে।

উভয় কো-অর্ডিনেশন কমিটির অন্তর্ভুক্ত বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন, সিটিটিএমইউ, সিএমইউ, এআইবিডিপিএ, ইপিএফপিএ এবং কর্টোর সমস্ত নেতৃত্ব এবং সদস্যদের অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি আন্দোলকে সফল করার জন্য।

 

অভিনন্দনসহ,

শিশির রায় এবং সুজয় সরকার, কনভেনর 

বিএসএনএল কো-অর্ডিনেশন কমিটি 

কলকাতা টেলিফোনস্ ও পশ্চিমবংগ সার্কেল

২৪/০২/২০২৬, মংগলবার

 
[21st Feb 2026]

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে বিএসএনএলইইউ এবং এনএফটিই বিএসএনএল -এর প্রতিনিধিদের দ্বারা পরিচালক (এইচআর) ডঃ কল্যাণ সাগর নিপ্পানির সাথে গুরুত্বপূর্ণ দীর্ঘস্থায়ী বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে – ম‍্যানেজমেন্ট এর প্রতিশ্রুতি

 

 

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে, বিএসএনএলইইউ এবং এনএফটিই বিএসএনএল -এর সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ১৫-দফা দাবির বিষয়ে পরিচালক (এইচআর) এর সাথে বিস্তারিত আলোচনা করেছে। প্রদত্ত আশ্বাসের ভিত্তিতে বৈঠকের ফলাফল নিম্নরূপ:

১. পুনর্গঠিত ক্যাডারে বিভাগীয় পরীক্ষা।

পুনর্গঠনের পরে শূন্যপদের অভাবের কারণে প্রায় ১০টি সার্কেল পরীক্ষা পরিচালনা করতে পারছে না। ১০% সুপারনিউমারারি পদ তৈরির প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। পরিচালক (HR) PGM (Estt.) এবং PGM (SR) কে পরীক্ষা পরিচালনার জন্য একটি বিকল্প ব্যবস্থা অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন।

২. অস্থায়ী শ্রমিকদের জন্য কাশ্মীর উপত্যকা ভাতা এবং ডিএ বকেয়া।

ব্যবস্থাপনা মূলত বিলম্ব ছাড়াই অর্থ প্রদান করতে সম্মত হয়েছে। সিএমডি বিএসএনএলের সাথে আলোচনার পর ২০২৬ সালের এপ্রিলে এটি বিবেচনা করা যেতে পারে।

৩. অসাধারণ ক্রীড়া কর্মীদের কর্মজীবনের অগ্রগতি।

ভুল ব্যাখ্যার কারণে পাঁচটি সার্কেলের ছয়জন কর্মকর্তা বঞ্চিত। প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়া হয়েছে। পরিচালক (এইচআর) পিজিএম (এসআর) কে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিষয়টি পরীক্ষা করে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

৪. জিপিএফ থেকে ইপিএফ-এ রূপান্তর।

ওড়িশা, সিএনটিএক্স (ই), বিহার, অন্ধ্রপ্রদেশ ইত্যাদি রাজ্যে জিপিএফ থেকে ইপিএফ-এ রূপান্তর সম্পর্কিত বিষয়গুলি তুলে ধরা হয়েছে। পরিচালক (এইচআর) পিজিএম (এস্টেট) কে নির্দিষ্ট ব্যক্তিগত অভিযোগ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সার্কেল প্রধানদের নির্দেশনা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

৫. এনইপিপি-ইপিপি অসঙ্গতি এবং নন- এক্সিকিউটিভদের জন্য সুবিধা এবং ভাতা সংশোধন সংক্রান্ত কমিটি।

ম‍্যানেজমেন্ট কমিটি গঠন নিশ্চিত করেছে। পরিচালক (এইচআর) পিজিএম (এস্টেট) কে উভয় স্বীকৃত ইউনিয়নকে প্রাসঙ্গিক সার্কুলার সরবরাহ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

৬. কর্পোরেট অফিসে সিএসএস কর্মীদের পদোন্নতির সুযোগ।

কর্পোরেট অফিসে কর্মরত সিএসএস কর্মীদের পদোন্নতির সুযোগের বিষয়টি কর্তৃপক্ষের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা পরিচালনা বা ক্যাডারের জন্য এনইপিপি বাস্তবায়নে ব্যর্থতার কারণে তীব্র ক্ষোভের সাথে উত্থাপিত হয়েছিল। পরিচালক (এইচআর), পিজিএম (এসআর) কে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন।

৭. উৎসব অগ্রিম।

পরিচালক (এইচআর) আশ্বাস দিয়েছেন যে অনুকূল সিদ্ধান্তের জন্য সিএমডি বিএসএনএল এবং পরিচালক (অর্থ) এর সাথে বিষয়টি আবারও অনুসরণ করা হবে।

৮. নিয়ম-৮ এবং নিয়ম-৯ বদলির মামলা।

পরিচালক (এইচআর) প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে আরও অনুকূল সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য মানদণ্ড শিথিল করার লক্ষ্যে ২০২৬ সালের এপ্রিলে নীতিটি পর্যালোচনা করা হবে।

৯. বাদ পড়া প্রার্থীদের পিও চিঠি প্রদান।

অনুমোদনের জন্য দুটি মামলা ডিওটিতে পাঠানো হয়েছে। অন্যান্য মামলা কর্পোরেট অফিসে তদন্তাধীন রয়েছে।

১০. কর্মীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায়।

শ্রী মনোজ শর্মা (এমপি) এবং শ্রী দীনেশ প্রসাদ (বিহার) এর নির্দিষ্ট মামলাগুলি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। মনোজ শর্মার ক্ষেত্রে, ইপিএফ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে স্পষ্টীকরণ চাওয়া হবে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যদিও বিষয়টি বিচারাধীন।

১১. সহানুভূতিশীল গ্রাউন্ড অ্যাপয়েন্টমেন্ট (সিজিএ)।

তেলেঙ্গানা সার্কেল থেকে একটি নির্দিষ্ট মামলা উত্থাপন করা হয়েছিল, যেখানে কর্পোরেট অফিস পর্যায়ে একজন কর্মচারীর মৃত্যু হয়েছিল। সার্কেল প্রধান সিজিএ-এর অধীনে শিথিলকরণের জন্য জোরালো সুপারিশ করেছেন। পরিচালক (এইচআর), আশ্বাস দিয়েছেন যে মামলাটি কর্পোরেট অফিস পর্যায়ে পর্যালোচনা করা হবে, যদিও সিজিএ স্কিমটি বর্তমানে স্থগিত রাখা হয়েছে।

১২. আলোচনা কমিটির সভা (এনসিএম/এলসিএম/আনুষ্ঠানিক সভা)।

পরিচালক (এইচআর) আশ্বাস দিয়েছেন যে পরবর্তী জাতীয় কাউন্সিল সভা ২০২৬ সালের এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হবে এবং পিজিএম (এসআর) কে এমন সার্কেল থেকে প্রতিবেদন সংগ্রহ করার নির্দেশ দিয়েছেন যেখানে সভাগুলি পরিচালিত হচ্ছে না।

১৩. অ-নির্বাহীদের জন্য মোবাইল অ্যাপ উপস্থিতি।

কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তেলেঙ্গানা সার্কেল থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। পরিচালক (মানবসম্পদ) আশ্বস্ত করেছেন যে কঠোর বাস্তবায়ন এড়াতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জানানো হবে, বিশেষ করে যারা অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন তাদের জন্য।

১৪. জেটিও থেকে জেই পর্যন্ত রিভার্সন মামলা বাতিল করা।

নির্দিষ্ট মামলা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। পিজিএম (এস্টেট) আশ্বাস দিয়েছেন যে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে পরীক্ষা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা জারি করা হবে।

১৫. সিভিল উইংয়ে ড্রাফটসম্যান ক্যাডারদের জন্য জেটিও পরীক্ষা।

জাতীয় কাউন্সিল সভায় আলোচিত সিভিল উইংয়ে ড্রাফটসম্যানের জন্য একটি বিশেষ লাইসেন্স পরিচালনার বিষয়টি জোরালোভাবে উত্থাপিত হয়েছিল। স্টাফ পক্ষ বিষয়টি প্রক্রিয়াকরণে বিলম্বের জন্য গুরুতর অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। পিজিএম (এস্টেট) জানিয়েছেন যে শূন্য পদ চূড়ান্ত করার জন্য ফাইলটি নিয়োগ কক্ষে বিচারাধীন রয়েছে। পরিচালক (এইচআর) আশ্বাস দিয়েছেন যে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

-অনিমেশ মিত্র, জিএস, বিএসএনএলইইউ সিএইচকিউ

 
[20th Feb 2026]

পরিচালক (মানবসম্পদ) এর সাথে আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত। উভয় স্বীকৃত ইউনিয়ন তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা কর্মীদের সমস্যাগুলির দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছে

 

০৫.০২.২০২৬ তারিখে নন- এক্সিকিউটিভ কর্মচারীদের জ্বলন্ত সমস্যাগুলি তুলে ধরে এবং তাদের তাৎক্ষণিক সমাধানের দাবি জানিয়ে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পর ১৮.০২.২০২৬ তারিখে পরিচালক (মানবসম্পদ) এর সাথে একটি আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনাটি এক ঘন্টারও বেশি সময় ধরে চলে, এই সময় করি সাথে ১৫ টিরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উত্থাপন করা হয়। কর্মী পক্ষ এই বিষয়গুলি সমাধানে দীর্ঘ বিলম্বের জন্য তীব্র ক্ষোভ এবং অসন্তোষ প্রকাশ করে। কর্মী পক্ষের প্রতিনিধিত্ব করেন কমরেড অনিমেষ মিত্র, সাধারণ সম্পাদক, বিএসএনএলইইউ, কমরেড চন্দেশ্বর সিং, সাধারণ সম্পাদক, এনএফটিই বিএসএনএলইইউ, কমরেড এম. বিজয়কুমার, সভাপতি, বিএসএনএলইইউ, কমরেড ইরফান পাশা, কোষাধ্যক্ষ, বিএসএনএলইইউ (সিএইচকিউ), কমরেড অশ্বিন কুমার, এজিএস, বিএসএনএলইইউ, কমরেড উত্তম কুমার, ডিজিএস, এনএফটিই বিএসএনএল এবং কমরেড মহাবীর সিং, সচিব, এনএফটিই বিএসএনএল (সিএইচকিউ)। অফিসিয়াল পক্ষ থেকে, সভায় উপস্থিত ছিলেন ⚫ ডঃ কল্যাণ সাগর নিপ্পানি, পরিচালক (এইচআর), শ্রী এস.পি. (এস্টেট) এবং শ্রী রাজীব কৌশিক, পিজিএম (এসআর)।

 

শুরুতেই, পরিচালক (মানবসম্পদ) নিশ্চিত করেছেন যে বিএসএনএল বোর্ড নন- এক্সিকিউটিভদের জন্য মজুরি চুক্তি অনুমোদন করেছে এবং সোমবার কার্যবিবরণী জারি করা হয়েছে। আরও জানানো হয়েছে যে এটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে ডিওটিতে পাঠানো হবে। মজুরি চুক্তি অনুমোদনের জন্য কর্তৃপক্ষেকে ধন্যবাদ জানিয়ে, কর্মীরা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বেশ কয়েকটি সমস্যা সমাধানে বিলম্ব এবং অগ্রগতির অভাবের বিষয়ে গুরুতর অভিযোগ জানিয়েছেন। উল্লেখ করা হয়েছে যে এই বিষয়গুলির অনেকগুলি ইতিমধ্যে জাতীয় কাউন্সিলে এবং উভয় স্বীকৃত ইউনিয়নের সাথে পূর্ববর্তী আনুষ্ঠানিক বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছে, কিন্তু কর্তৃপক্ষ সুনির্দিষ্ট সমাধানে পৌঁছানোর জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। আলোচনার সময়, পরিচালক (মানবসম্পদ) এবং কর্মকর্তারা আশ্বাস দিয়েছেন যে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত সময়সীমার মধ্যে সমস্যাগুলি নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কর্মীরা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লিখিত কার্যবিবরণীর অপেক্ষায় রয়েছে। এটিও স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে যদি নিশ্চিত সময়সীমার মধ্যে সমস্যাগুলি সমাধান না করা হয়, তাহলে কর্মীরা বিএসএনএলের সিএমডির দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য ভবিষ্যতে আন্দোলনমূলক কর্মসূচি শুরু করতে বাধ্য হবে।

-অনিমেষ মিত্র, জিএস, বিএসএনএলইউ

 
[19th Feb 2026]

সার্কুলার  ১৮/০২/২০২৬

 

 

 

প্রিয় সার্কেল সম্পাদকগণ,

 

গতকাল ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, বুধবার, বিএসএনএল কো-অর্ডিনেশন কমিটি কলকাতা টেলিফোনস্ এবং পশ্চিমবঙ্গ সার্কেল যুগ্মভাবে একটি জরুরি বৈঠক করে।

আলোচ‍্য বিষয় ছিল:

কলকাতা টেলিফোনস্ সার্কেল এর অন্তর্গত ইলেকট্রিক সেকশনের এর কন্ট্রাক্ট কর্মচারীদের ছাঁটাই এর বিরুদ্ধে আন্দোলন এর কর্মসূচি সংক্রান্ত। এই সভায় সভাপতিত্ব করেন কমরেড সুজয় সরকার, কনভেনর পশ্চিমবঙ্গ সার্কেল।কমরেড শিশির রায়, কনভেনর কলকাতা টেলিফোনস্ সার্কেল, আলোচনার বিষয়বস্তু সভায় উপস্থিত করার পর সভাপতি প্রত্যেকের মতামত জানতে চান।বিস্তারিত আলোচনার পর নিম্নলিখিত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

১) দুটি কো-অর্ডিনেশন কমিটি যৌথভাবে সিজিএমকে চিঠি দেবে এই সমস‍্যা সমাধান করার জন্য এবং সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হবে শুক্রবার ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

২) বিএসএনএল কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোন সমাধান সূত্র বের করতে উদ্যোগী না হলে ২৪ ফেব্রুয়ারি মংগলবার থেকে টেলিফোন ভবন সিজিএম অফিসে ধর্না বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করা হবে।

সার্কেল সম্পাদকদের অনুরোধ করা হচ্ছে ব‍্যাপক জমায়েত করে এই কর্মসূচিকে সফল করার জন্য।

অভিনন্দনসহ,

শিশির রায় এবং সুজয় সরকার, কনভেনর 

বিএসএনএল কো-অর্ডিনেশন কমিটি 

কলকাতা টেলিফোনস্ ও পশ্চিমবংগ সার্কেল

 
[22nd Nov 2025]

বিএসএনএল কর্তৃপক্ষ একটি নতুন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দশম সদস্যপদ যাচাইকরণ পরিচালনার প্রস্তাব করছে 

 

 

 বিএসএনএলইইউ গত অনলাইন সিইসি সভার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের অবস্থান জ্ঞাপন করছে

কর্পোরেট অফিস ঐতিহ্যবাহী গোপন ব্যালট পদ্ধতি অনুসরণের পরিবর্তে ইআরপি সিস্টেমে উপলব্ধ সদস্যপদ তথ্যের ভিত্তিতে আসন্ন দশম সদস্যপদ যাচাইকরণ পরিচালনার জন্য একটি নতুন পদ্ধতি প্রস্তাব করেছে। কর্তৃপক্ষ এই প্রস্তাবের উপর বিএসএনএলইইউ সহ সকল স্বীকৃত ইউনিয়নের মতামত চেয়েছে। ১৩.১১.২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত অনলাইন সিইসি সভায় বিএসএনএলইইউ বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত এবং গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করেছে। সিইসি সদস্যরা গোপন ব্যালট পদ্ধতির মাধ্যমে সদস্যপদ যাচাইকরণ পরিচালনা করার জন্য তাদের পছন্দ প্রকাশ করেছেন। তবে, বিএসএনএল এর বর্তমান আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে, সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে বিএসএনএলইইউ কর্তৃপক্ষের প্রস্তাবকে এককালীন ব্যবস্থা হিসেবে গ্রহণ করতে পারে। সেই অনুযায়ী, সিইসি সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত বিবেচনার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে জানানো হয়েছে।

-অনিমেষ মিত্র, জিএস, বিএসএনএলইইউ সিএইচকিউ

 
[21st Nov 2025]

প্রেস বিবৃতি

 

**

 

নীচের যৌথ বিবৃতিটি আজ — ২১শে নভেম্বর ২০২৫ — দশটি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের যৌথ প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে প্রকাশ করা হলো।

 

*শ্রম কোডের বিজ্ঞপ্তি জাতির কর্মজীবী মানুষের উপর প্রতারণামূলক আক্রমণ, শ্রমিক শ্রেণির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতারণা। ২৬শে নভেম্বর প্রতিরোধ ও অমান্যতার আহ্বান – যৌথ ট্রেড ইউনিয়ন প্ল্যাটফর্মের ডাক* 

 

কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলির যৌথ প্ল্যাটফর্ম আজ থেকে কার্যকর করা হয়েছে এমন শ্রমিক-বিরোধী, কর্পোরেট-পোষক শ্রম কোডগুলির একতরফা বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা প্রকাশ করছে। নিঃসন্দেহে আমরা এটিকে বলি — কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতারণা, যা দেশের কর্মজীবী মানুষের বিরুদ্ধে সংঘটিত হয়েছে।

 

এই চারটি তথাকথিত “শ্রম কোড” আজ ২১শে নভেম্বর ২০২৫-এ যে একতরফা ও অগণতান্ত্রিকভাবে জারি করা হয়েছে, তা ভারতের কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের চরিত্র ধ্বংস করে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে রীতিমতো পদদলিত করেছে।

 

দশটি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন এবং স্বাধীন শিল্প ফেডারেশনগুলির এই ফোরাম শ্রম কোডগুলির বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই লড়াই করে আসছে, যেদিন থেকে কেন্দ্রীয় সরকার ২৯টি কেন্দ্রীয় শ্রম আইন বাতিল করে এগুলো পাস করেছিল। ২০১৯ সালে কোড অন ওয়েজেস পাস হওয়ার পরই প্রবল প্রতিবাদ গড়ে ওঠে, যার পরিণতি ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসের সাধারণ ধর্মঘট। পরবর্তীতে অন্য তিনটি কোড — ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশনস কোড, সোশ্যাল সিকিউরিটি কোড, অকুপেশনাল সেফটি, হেলথ ও ওয়ার্কিং কন্ডিশনস কোড — ২০২০ সালে পাস হলে, সেপ্টেম্বর মাসে আন্দোলন শুরু হয় এবং ঐতিহাসিক ২৬শে নভেম্বর সাধারণ ধর্মঘট পালিত হয় SKM-এর ঐতিহাসিক "দিল্লি চলো" আন্দোলনের সঙ্গে একতানে। পরবর্তী সময়ে ধারাবাহিক যৌথ কর্মসূচির মাধ্যমে ৯ই জুলাই ২০২৫-এর সাধারণ ধর্মঘটে ২৫ কোটির বেশি শ্রমিক অংশগ্রহণ করেন।

 

এত প্রতিরোধ থাকা সত্ত্বেও, বিহার নির্বাচনে জয়ের উচ্ছ্বাসে বিভোর কেন্দ্রীয় সরকার শ্রম কোড বাস্তবায়নে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে—যা শ্রম মন্ত্রকের বিবৃতি ও টুইটে স্পষ্ট। কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন প্ল্যাটফর্ম ILC (Indian Labour Conference)-এর বৈঠক অবিলম্বে ডাকতে সরকারকে অনুরোধ করে এবং শ্রম কোড বাতিলের দাবি তোলে। ১৩ই নভেম্বর “শ্রম শক্তি নীতি ২০২৫”-এর খসড়া নিয়ে মন্ত্রকের বৈঠকেও একই দাবি জানানো হয়।

 

২০শে নভেম্বর অর্থ মন্ত্রকের প্রাক-বাজেট বৈঠকেও ট্রেড ইউনিয়নগুলির পক্ষ থেকে শ্রম কোড বাতিল ও ILC পুনরায় চালুর দাবি জানানো হয় — যা ২০১৫ সালের পর আর ডাকা হয়নি। কিন্তু সরকার নীরব থেকেছে।

 

বরং প্রতিবাদ, ধর্মঘট, আবেদন—কিছুই আমল না দিয়ে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার আজ থেকে শ্রম কোড বাস্তবায়ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা মূলত কর্পোরেট ও প্রো-গভর্ণমেন্ট সংগঠনগুলির চাহিদা পূরণ করতে। CTU-র যৌথ প্ল্যাটফর্ম শ্রম কোড বাস্তবায়নকে গণবিরোধী, সর্বাধিক প্রতিক্রিয়াশীল এবং শ্রমিকবিরোধী পদক্ষেপ বলে আখ্যা দিয়ে কঠোর নিন্দা জানায়। CTU-র মতে এই কোডগুলি শ্রমিকদের জীবিকা ও অধিকার ছিনিয়ে নিতে “আধুনিক দাসত্ব” চাপিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা।

 

যদি এই কোডগুলি কার্যকর হয়, তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের আশা, অধিকার, সুরক্ষা—সবই ধ্বংস হবে।

 

ভারতের বিভিন্ন সেক্টরের শ্রমিক ও স্বাধীন ফেডারেশনগুলোকে ২৬শে নভেম্বর ২০২৫ তারিখে কৃষকদের SKM নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের সঙ্গে দেশব্যাপী প্রতিরোধ ও অমান্যতার কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে — শ্রম কোড বাতিল এবং শ্রম শক্তি নীতি ২০২৫ প্রত্যাহারের দাবিতে।

 

ইউনাইটেড প্ল্যাটফর্ম সব শ্রমিককে কালো ব্যাজ পরিধানের আহ্বান জানিয়েছে। সোমবার থেকে গেট মিটিং, স্ট্রিট কর্নার মিটিং, বস্তি ও কর্মস্থলভিত্তিক মিটিং—সবই যুদ্ধকালীন প্রস্তুতিতে সংগঠিত হবে, যাতে সরকারের পরিকল্পনা—শ্রমিকদের দাসত্বে ঠেলে দেওয়া ও উৎপাদক শ্রেণিকে কর্পোরেটের লাভে সঁপে দেওয়া—ফাঁস করা যায়।

 

CTU-রা স্পষ্ট জানাচ্ছে যে— এই শ্রম কোড কার্যকর করা, ভয়াবহ বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধির সময়ে— শ্রমিক শ্রেণির উপর যুদ্ধ ঘোষণা ছাড়া আর কিছু নয়। কর্পোরেট-পোষিত এই সরকারের লক্ষ্য দেশকে আবার প্রভু-ভৃত্য শাসনে ফিরিয়ে নেওয়া।

 

কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের শক্ত অঙ্গীকার, যতদিন না এই শ্রম কোড প্রত্যাহার করা হচ্ছে, ভারতের শ্রমিক শ্রেণি ঐক্যবদ্ধভাবে তীব্র লড়াই চালিয়ে যাবে।

INTUC • AITUC • HMS • CITU • AIUTUC • TUCC • SEWA • AICCTU • LPF • UTUC

 
You are Visitor Number Hit Counter
Hit Counter
[CHQ] [AP] [Kerala] [Karnataka] [Tamil Nadu] [Calcutta] [West Bengal] [Punjab] [Maharashtra] [Orissa] [MP] [Gujrat] [SNEA] [AIBSNLEA] [TEPU]
[Intranet / BSNL] [DOT] [DPE] [TRAI] [PIB] [CITU ] / AIBDPA